আপনার ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমিয়ে দেবে উচ্চ-চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত
খাবার
সময়টা গ্রীষ্মকাল হলেও, বেশ কিছুদিন ধরে আবহাওয়ার তারতম্য দেখা
দিচ্ছে। এই ভীষণ গরম আবার এই নামছে ঝুমঝুম বৃষ্টি, সেইসঙ্গে বইছে ঠাণ্ডা বাতাস। আবহাওয়ার
এ তারতম্যের কারণে এসময় ঠাণ্ডা-কাশি ও গলাব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমন অবস্থায় অনেকের
জ্বরও হয়। আর জ্বর মানেই খাওয়ায় অরুচি।
প্রিয় খাবারও জ্বরের সময় পানসে লাগে। জ্বর বেশি হলে হজম ক্ষমতা
কমে যায় ও শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। তবে দ্রুত সুস্থতার জন্য এসময় সঠিক খাদ্যতালিকা মেনে
চলা প্রয়োজন। জ্বরের সময় উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার, ভিটামিন সি ও প্রচুর পানি ও পানিজাতীয়
খাবার খাওয়া প্রয়োজন। দেখে নিন ভালো করে, পরে কাজে দেবে।
রুটি
গমের রুটি সহজপাচ্য। তাই জ্বর হলে সকাল ও রাতের খাবারে হাতে গড়া
গমের রুটি রাখতে পারেন। তবে রুটিতে তেল বা ঘি ব্যবহার না করাই ভালো।
পানিজাতীয় সবজি
জ্বরের সময় শরীরে পানির চাহিদা পূরণে প্রচুর পরিমাণে পানি জাতীয়
সবজি খাওয়া উচিত। যেমন- মিষ্টি কুমড়া, লাউ, টমেটো, বাঁধাকপি, গাজর ও শসা। এসব সবজি
শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করে সুস্থতা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।
স্যুপ
বেশিরভাগ সময় ঠাণ্ডা থেকেই জ্বর হয়। জ্বরে আরাম পেতে দু’বেলা টমেটো
বা গাজরের স্যুপ খেতে পারেন। স্যুপ শরীরের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে সহায়তা করে।
আপেল
জ্বরের সময় প্রতিদিন অন্তত একটি আপেল খাওয়া উচিত। আপেল শরীরকে
ডিহাইড্রেশন থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও এটি ভাইরাল ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করে।
জুস
জ্বরের সময় প্রচুর পানি করা প্রয়োজন। পানির পাশাপাশি বিভিন্ন মৌসুমী
ফলের জুসও খেতে পারেন। এসময় লেবু কমলা ও মালটার জুস খেলে দ্রুত মুখে রুচি ফিরে আসবে।
ভেষজ চা
তুলসি, আদা, লেবু ও লবঙ্গ চা খেতে পারেন। পানিতে আট থেকে ১০ মিনিট
আদা ও লবঙ্গ সেদ্ধ করুন। এবার কাপে তুলসি পাতা রেখে লেবুর রস দিন। উপর থেকে আদা ও লবঙ্গ
সেদ্ধ পানি ঢালুন। চাইলে মধু মেশাতে পারেন। এছাড়াও খালি তুলসি পাতা দিয়েও চা তৈরি করতে
পারেন। এই চা গলা ব্যথা, খুসখুসে কাশি ও মাথাব্যথার ভেষজ ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
দুধ ও ছানা
শরীরের শক্তি বাড়ানো ও উদ্যম ফিরিয়ে আনতে দুধের জুড়ি নেই। দুধে
মধু মিশিয়ে খেলে কাশি ও মাথাব্যথায় উপকার পাবেন। এছাড়াও ব্রেকফাস্টে ছানা খেতে পারেন।
এটি শরীরে শক্তি যোগাবে তো বটেই, খেতেও বেশ দারুণ।
আপনার ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমিয়ে দেবে উচ্চ-চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত
খাবার
সময়টা গ্রীষ্মকাল হলেও, বেশ কিছুদিন ধরে আবহাওয়ার তারতম্য দেখা
দিচ্ছে। এই ভীষণ গরম আবার এই নামছে ঝুমঝুম বৃষ্টি, সেইসঙ্গে বইছে ঠাণ্ডা বাতাস। আবহাওয়ার
এ তারতম্যের কারণে এসময় ঠাণ্ডা-কাশি ও গলাব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমন অবস্থায় অনেকের
জ্বরও হয়। আর জ্বর মানেই খাওয়ায় অরুচি।
প্রিয় খাবারও জ্বরের সময় পানসে লাগে। জ্বর বেশি হলে হজম ক্ষমতা
কমে যায় ও শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। তবে দ্রুত সুস্থতার জন্য এসময় সঠিক খাদ্যতালিকা মেনে
চলা প্রয়োজন। জ্বরের সময় উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার, ভিটামিন সি ও প্রচুর পানি ও পানিজাতীয়
খাবার খাওয়া প্রয়োজন। দেখে নিন ভালো করে, পরে কাজে দেবে।
রুটি
গমের রুটি সহজপাচ্য। তাই জ্বর হলে সকাল ও রাতের খাবারে হাতে গড়া
গমের রুটি রাখতে পারেন। তবে রুটিতে তেল বা ঘি ব্যবহার না করাই ভালো।
পানিজাতীয় সবজি
জ্বরের সময় শরীরে পানির চাহিদা পূরণে প্রচুর পরিমাণে পানি জাতীয়
সবজি খাওয়া উচিত। যেমন- মিষ্টি কুমড়া, লাউ, টমেটো, বাঁধাকপি, গাজর ও শসা। এসব সবজি
শরীরের পানির চাহিদা পূরণ করে সুস্থতা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।
স্যুপ
বেশিরভাগ সময় ঠাণ্ডা থেকেই জ্বর হয়। জ্বরে আরাম পেতে দু’বেলা টমেটো
বা গাজরের স্যুপ খেতে পারেন। স্যুপ শরীরের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে সহায়তা করে।
আপেল
জ্বরের সময় প্রতিদিন অন্তত একটি আপেল খাওয়া উচিত। আপেল শরীরকে
ডিহাইড্রেশন থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও এটি ভাইরাল ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করে।
জুস
জ্বরের সময় প্রচুর পানি করা প্রয়োজন। পানির পাশাপাশি বিভিন্ন মৌসুমী
ফলের জুসও খেতে পারেন। এসময় লেবু কমলা ও মালটার জুস খেলে দ্রুত মুখে রুচি ফিরে আসবে।
ভেষজ চা
তুলসি, আদা, লেবু ও লবঙ্গ চা খেতে পারেন। পানিতে আট থেকে ১০ মিনিট
আদা ও লবঙ্গ সেদ্ধ করুন। এবার কাপে তুলসি পাতা রেখে লেবুর রস দিন। উপর থেকে আদা ও লবঙ্গ
সেদ্ধ পানি ঢালুন। চাইলে মধু মেশাতে পারেন। এছাড়াও খালি তুলসি পাতা দিয়েও চা তৈরি করতে
পারেন। এই চা গলা ব্যথা, খুসখুসে কাশি ও মাথাব্যথার ভেষজ ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
দুধ ও ছানা
শরীরের শক্তি বাড়ানো ও উদ্যম ফিরিয়ে আনতে দুধের জুড়ি নেই। দুধে
মধু মিশিয়ে খেলে কাশি ও মাথাব্যথায় উপকার পাবেন। এছাড়াও ব্রেকফাস্টে ছানা খেতে পারেন।
এটি শরীরে শক্তি যোগাবে তো বটেই, খেতেও বেশ দারুণ।
আপনার ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমিয়ে দেবে উচ্চ-চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত
খাবার
উচ্চ-চর্বি যুক্ত দুগ্ধ জাতীয় খাবারের সঙ্গে টাইপ-টু ডায়াবেটিসের
ঝুঁকি কমার একটি সম্পর্ক রয়েছে। নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। এর আগে বেশ কয়েকটি
গবেষণায় দুগ্ধ জাতীয় খাবার বেশি খাওয়ার সঙ্গে টাইপ-টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমার একটি
সম্পর্ক রয়েছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। নতুন এ গবেষণার সঙ্গে ওই সব গবেষণার সম্পর্ক
পাওয়া গেছে।
গবেষকদের একজন সুইডেনের লুন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরিকা এরিকসন বলেন,
যারা উচ্চ-চর্বি সমৃদ্ধ দুগ্ধ জাতীয় খাবার বেশি খায় তাদের তুলনায় যারা কম খায় তাদের টাইপ-টু ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ২৩ শতাংশ কম থাকে।
যদিও বেশি মাংস খাওয়ার সঙ্গে টাইপ-টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার একটা সম্পর্ক রয়েছে।
গবেষকরা ৪৫ থেকে ৭৪ বছর বয়সী ২৭ হাজার ব্যক্তির খাদ্যাভাস নিয়ে
গবেষণা করেন। অংশগ্রহণকারীরা ১৯৯০ সালের শুরু থেকে ‘মালমো ডায়েট অ্যান্ড ক্যান্সার’
গবেষণায় জড়িত। সেখানে তারা তাদের খাদ্যাভাসের বিস্তারিত তথ্য দিয়ে থাকেন। ২০ বছর পর
দেখা গেছে, তাদের ১০ শতাংশ টাইপ-টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছে।
মাংস এবং দুগ্ধজাতীয় খাবার দুটোতেই পরিনিষিক্ত চর্বি থাকে। তবে
দুগ্ধজাতীয় খাবারে নিশ্চিতভাবেই পরিনিষিক্ত চর্বি থাকে। “আমরা যখন পরিনিষিক্ত ফ্যাটি
এসিডের পরিপাক নিয়ে গবেষণা করলাম তখন দেখলাম মাংসের তুলনায় দুগ্ধজাতীয় খাবারে এর উপস্থিতি
কিছুটা বেশি থাকে। “পরিনিষিক্ত ফ্যাটি এসিডের সঙ্গে টাইপ-টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমার
সঙ্গে একটি সম্পর্ক রয়েছে।”